হঠাৎ করে যদি পৃথিবীর ঘূর্ণন থেমে যায় কি কি ঘটনা ঘটবে জানেন? জেনে নিন

এখান থেকে শেয়ার করুন
  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  
    2
    Shares

২০১৭ সালের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলি এক নজরে পড়তে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

কি হবে যদি হঠাৎ করে পৃথিবীর ঘূর্ণন থেমে যায়? হঠাৎ করে পৃথিবীর ঘূর্ণন বন্ধ হয়ে গেলে এমন কিছু ঘটনা ঘটবে, যা আমরা কখনও কল্পনাও করতে পারি না।

ঋতু পরিবর্তন
ঋতু পরিবর্তন

আমরা জানি পৃথিবী তার নিজ অক্ষ বরাবর গড়ে ঘন্টায় ১৬০০ কিলোমিটার বেগে পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ঘুরছে। এই বেগ ০ ডিগ্রি অক্ষরেখাতে ১৬৭০ কিমি/ঘন্টা, ৩০ ডিগ্রিতে ১৪৩৮ কিমি/ঘন্ট, ৬০ ডিগ্রিতে ৯৯০ কিমি/ঘন্টা এবং ৯০ ডিগ্রিতে শূন্য।

অক্ষাংশ বরাবর পৃথিবীর আবর্তন গতিবেগ
চিত্রের মাধ্যমে দেখতে পাচ্ছেন বিভিন্ন অক্ষাংশে পৃথিবীর আবর্তন গতিবেগ

এই পৃথিবীর পৃষ্ঠে দাঁড়িয়ে আমরাও একই বেগে পৃথিবীর সাথে ঘুরছি। আমরা দেখেছি, চলন্ত বাস হঠাৎ ব্রেক করলে আমরা সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ি। এটার কারন গতির জড়তা। বিষয়টা ক্লিয়ার করি। মনে করুন, আপনি ঘন্টায় ৮০ কি.মি বেগে চলন্ত একটা বাসের ছাদের উপর দাঁড়িয়ে আছেন। বাসের সাথে আপনিও ঘন্টায় ৮০ কি.মি বেগে গতিশীল। হঠাৎ করে বাসটি ইন্সট্যান্ট ব্রেক করলে বাসের গতি থেমে যাবে, কিন্তু গতি জড়তার কারনে আপনার গতি থামবে না। অর্থ্যাৎ, আপনি ঘন্টায় ৮০ কি.মি. বেগে উড়ে গিয়ে সামনে ছিটকে পড়বেন। সামান্য ৮০ কি.মি বেগে চলন্ত একটি বাস হঠাৎ থেমে গেলেই যদি এত ভয়াবহ ঘটনা ঘটে,

দূর্ঘটনার পরবর্তী একটি বাসের দৃশ্য,
দূর্ঘটনার পরবর্তী একটি বাসের দৃশ্য, এখান থেকে কল্পনা করুন পৃথিবী থেমে গেলে কি হতে পারে!

তবে ঘন্টায় ১৬৭০ কি.মি বেগে গতিশীল এই পৃথিবী হঠাৎ গেলে কি ঘটবে? চলুন দেখে নেওয়া যাক কি কি ঘটনা ঘটতে পারে-

১. সমস্ত কিছু পূর্ব দিকে উড়তে শুরু করবে-

পৃথিবী সূর্যের অক্ষের ঘোরার সাথে সাথে নিজের অক্ষের চারিদিকেও ঘুড়ছে। পৃথিবীর এইরূপ ঘূর্ণনকে আবর্তন গতি বলে। এক পাক ঘুরতে সময় লাগে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড। পৃথিবীর আবর্তন বেগ নিরক্ষীয় অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি এবং মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে কম অর্থাৎ শূন্য।

সবকিছু পূর্ব দিকে উড়তে শুরু করবে
পৃথিবীর পৃষ্ঠে থাকা সবকিছু ছিটকে গিয়ে কমপক্ষে ঘন্টায় ১৬৭০ কি.মি বেগে পূর্ব দিকে উড়তে শুরু করবে

এই সময় যদি পৃথিবীর আবর্তন গতি বন্ধ হয়ে যায় তাহলে, প্রথমেই মুহুর্তের মধ্যে পৃথিবীর পৃষ্ঠে থাকা সবকিছু ছিটকে গিয়ে কমপক্ষে ঘন্টায় ১৬৭০ কি.মি বেগে পূর্ব দিকে উড়তে শুরু করবে। মানুষ থেকে শুরু করে পশুপাখি, মস্ত হাতি, রাস্তাঘাট, বিল্ডিং, পাহাড় পর্বত, এমনকি মাউন্ট এভারেস্টও। এই প্রচন্ড ধাক্কায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে না কোনো কিছুই। সবকিছুই ভেঙে গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে উড়তে শুরু করবে।

২. প্রচন্ড শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহের সৃষ্টি হবে-

‘হঠাৎ করে’ যদি পৃথিবীর ঘূর্ণন থেকে যায় তাহলে প্রায় ১৬০০-১৭০০ বা তার ও বেশি বেগে একটি প্রচন্ড শক্তিশালী বায়ুপ্রবাহ সৃষ্টি হবে। তবে হ্যাঁ এই শক্তিশালী বায়ু প্রবাহ শুরু হওয়ার প্রথম কয়েক সেকেন্ড দুটি স্থানে থাকা মানুষ বেঁচে যাবে। সেগুলি হল- (ক) যারা ওই সময় আকাশে ছিল অর্থাৎ প্লেনে করে উড়ছিল এবং (খ) উত্তর ও দক্ষিন মেরুতে থাকা মানুষ গুলি। মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর ঘূর্ণনের গতি সবচাইতে কম বলে, ঐ মুহুর্তে একেবারে মেরুতে যদি কেউ থেকে থাকে, তবে সে কয়েক সেকেন্ডের জন্য বেঁচে যাবে।

কপিরাইট © 2017-2019|স্টুডেন্টস কেয়ার ™ |সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

কিন্তু, হঠাৎ করে পৃথিবী থেমে যাওয়ায় তার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই শুরু হবে ভয়ানক ধুলোর মেঘ জমা। যা শুরু করবে প্রচন্ড ঝড় এবং বজ্রপাত। সেই বজ্রপাতের ফলে প্রচন্ড বিদ্যুতায়নের সৃষ্টি হবে। সেই বজ্রপাতের শক্তি এতটাই হবে, এক সেকেন্ডে পুরো ভস্ম হয়ে যাবে বিমানগুলো। বিমানে বসে থাকা লোকগুলোও রেহাই পাবে না।উড়ন্ত বিমান

এর সাথে সাথে, হঠাৎ করে পৃথিবী থেমে যাওয়ায় প্রচন্ড ধাক্কার কারনে বাতাসে যে বিশাল ঢেউ বা শকওয়েভের সৃষ্টি হবে, তা পারমানবিক বোমা বিস্ফোরনের শকওয়েভের চাইতে বহুগুন ভারী। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বাতাসের এই ঢেউ বা ভয়ানক শকওয়েভ মেরুতে গিয়ে আঘাত করবে। এতে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে ঐ অঞ্চলে থাকা সবকিছু।

৩. বিশাল সামুদ্রিক ঢেউ বা সুনামির সৃষ্টি হবে-

পৃথিবীর ঘূর্ণন হঠাৎ থেকে গেলে সৃষ্টি হবে বিশাল সামুদ্রিক ঢেউ। এক্ষেত্রে একটি উদাহরণ দেওয়া যাক- ২০০৪ সালে ৯.১ রিক্টারস্কে ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামিতে প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল। তাহলে কল্পনা করুন যদি পৃথিবী থেমে যায় তাহলে কত পরিমান ক্ষতি হতে পারে।

৪. পৃথিবীর সমস্ত জল দুটি সমুদ্রে জমা হবে-

পৃথিবীর ঘূর্ণন থেমে গেলে এই প্রচন্ড ধাক্কায় সমুদ্রের সব জল উঠে এসে পৃথিবীর পুরো স্থলভাগ ভাসিয়ে নিয়ে সব জল সোজা মেরুতে চলে যাবে। কেন? কারন পৃথিবী সম্পুর্ণ গোলাকার নয় এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক বলের ফলে নিরক্ষীয় অঞ্চলের সমস্ত জল দুই মেরুতে গিয়ে সঞ্চয় হবে, তার ফলে দুই মেরুতে দুটি সাগরের সৃষ্টি হবে।

নিরক্ষীয় অঞ্চলে মহাদেশ সৃষ্টি হবে
নিরক্ষীয় অঞ্চলে মহাদেশ সৃষ্টি হবে, তখন আপনি নিরক্ষরেখা বরাবর হেঁটে পৃথিবীর এপার থেকে ওপারে যেতে পারবেন! (সূত্র- ইউটিউব)

তখন নিরক্ষীয় অঞ্চলের সমস্ত জল শুকিয়ে একটি বৃহৎ মহাদেশের সৃষ্টি হবে এবং সব মহাসমুদ্র শুকিয়ে পৃথিবীর ৯০ ভাগই স্থলভাগ হয়ে যাবেন! এবং মজার বিষয় তখন পৃথিবী আর কমলালেবুর মতো চ্যাপ্টা থাকবে না। টেনিস বলের মত গোল হয়ে যাবে!

কপিরাইট © 2017-2019|স্টুডেন্টস কেয়ার ™ |সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

৫. ভয়ানক দাবানলের সৃষ্টি হবে!

আপনারা হলিউড সিনেমাতে দেখে থাকবেন, কোনো মহাকাশ যান যখন মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে তখন যানটি প্রচন্ড উত্তপ্ত হতে হতে একসময় আগুন লেগে যাওয়ার উপক্রম হয় বা আগুন লেগেই যায়। কেন জানেন? বায়ুর সাথে প্রচন্ড ঘর্ষনের ফলে। তাহলে পৃথিবীর গতি থেমে যাওয়ার পর প্রায় ১৬০০ কিমি বেগে যে বায়ু প্রবাহিত হবে তার প্রভাবে কেমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে কল্পনা করুন। বাতাসের সাথে প্রায় ১৬০০ কি.মি বেগে ঘর্ষণের ফলে পৃথিবীর পৃষ্ঠে আগুন লেগে যাবে। আর এই আগুন এর জ্বালানি কি জানেন? ‘অক্সিজেন’!

ভাবুন, যেটি না হলে আমরা বাঁচতে পারবোনা একসময় সেটি ই হতে পারে আমাদের মৃত্যুর কারন! এই প্রচন্ড আগুনে সমুদ্রের সব জল শুকিয়ে যাবে। পুড়ে নিঃশেষ হয়ে যাবে অবশিষ্ট যা কিছু আছে…. মাটির নিচে থাকা পোকামাকড় এমনকি গাছের শেকড়গুলোও।

৬. দিন রাত্রির ওপর প্রভাব-

পৃথিবীর ঘূর্ণন বন্ধ হয়ে গেলে পৃথিবীর সাপেক্ষে সূর্যও স্থির হয়ে যাবে। অর্থ্যাৎ, যেখানে দিন ছিলো সেখানে চিরকাল দিনই থাকবে। যেখানে রাত ছিলো, সেখানে চিরকাল রাতই থাকবে।

পৃথিবীর একদিকে গরম আর এক দিকে শীতল হবে
পৃথিবীর একদিকে গরম আর এক দিকে শীতল হবে

আর যে অংশ রাত, সেখানে তাপের অভাবে পৃথিবী ঠান্ডা হয়ে বরফ জমে যাবে। অর্থ্যাৎ, পৃথিবীর অর্ধেক থাকবে উত্তাপের দখলে, আর বাকি অর্ধেক থাকবে শুধুই বরফ।

৭. পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ড ধ্বংস হয়ে যাবে

ম্যাগনেটিক ফিল্ড
ম্যাগনেটিক ফিল্ড

পৃথিবী থেমে যাওয়ার কারনে পৃথিবীর কেন্দ্রের উত্তপ্ত ধাতব অংশটি রয়েছে যেটি পৃথিবীকে একটি ম্যাগনেটিক ফিল্ডে আবদ্ধ রেখেছে, এই ম্যাগনেটিক ফিল্ড থেমে যাবে বা ধ্বংস হয়ে যাবে।

‘স্টুডেন্টস কেয়ার’ এর সকল লেখার স্বত্ব ব্লগ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক সংরক্ষিত। লেখক বা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যাতিত কোন লেখা অন্য কোন অনলাইন বা অফলাইন মিডিয়াতে সূত্র ছাড়া প্রকাশিত হলে সেটি বেআইনি। কপি রাইটের অন্তর্ভূক্ত। সূত্র ছাড়া কপি করার অনুমতি নেবেন আমাদের কাছে।

৮. ওজল স্তর ধ্বংস হয়ে যাবে-

ম্যাগনেটিক ফিল্ড বায়ুমন্ডলে যে ওজোনস্তর ধরে রেখেছে, পৃথিবীর ম্যাগনেটিক ফিল্ড ধ্বংস হয়ে গেলে সেটিও আর থাকবে না। ওজোনস্তর আমাদের পৃথিবীকে সূর্যের ক্ষতিকারক তেজস্ক্রিয় রশ্মি থেকে বাঁচিয়ে রাখে। ওজোনস্তর না থাকায় পৃথিবীর যে অংশে দিন, সে অংশে সূর্যের প্রখর রশ্মির প্রভাবে ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত হয়ে পুড়তে থাকবে। সেখানে একজন মানুষ দাঁড়া করালে মুহুর্তেই তার মস্তিষ্ক পুড়ে মগজ গলতে শুরু করবে। যদিও এটা পরীক্ষা করে দেখার মতো একটি মানুষও অবশিষ্ট থাকবে না তখন।

৯. ওজন বৃদ্ধি পাবে

আমরা জানি পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আমাদের ওজন একটি ভারসাম্য অবস্থায় রয়েছে। এবং গতি বেড়ে গেলে আমাদের ওজন কমে যাবে। কিন্তু যদি পৃথিবীর গতি কমে যায় তাহলে আমাদের ওজন হঠাৎ করে বেড়ে যাবে।

১০. অগ্নুৎপাত ও ভূমিকম্পের সৃষ্টি হবে-

পৃথিবীর প্রচন্ড গতিশক্তি এবং এর ভরবেগ পৃথিবীকে প্রচন্ড ভাবে নারিয়ে দেবে। যার ফলাফল অনুমান করা অসম্ভব। এর ফলে পৃথিবীর সর্বত্রই ব্যপক ভূমিকম্প শুরু হবে। এর সাথেই চলতে থাকবে ভয়ঙ্কর বিধ্বংসী অগ্নুৎপাত।

১১. পৃথিবীর আকৃতি উপবৃত্তাকার থেকে গোলাকৃতি হবে-

আমরা যানি পৃথিবীর পৃথিবীর মত বা বলতে পারেন অভিগত গোলাকার।অর্থাৎ পৃথিবীর দুই মেরু কিছুটা চাপা এবং নিরক্ষীয় অঞ্চল কিছুটা স্ফীত। এর কারন হল পৃথিবী নিজের ভর কেন্দ্রের ওপর আবর্তন করে চলেছে। যদি এই আবর্তন গতি থেকে যায় তাহলে পৃথিবীর আকৃতি গোলাকার হতে থাকবে।

অবশেষে আপনাদের মনে হতেই পারে পৃথিবীর ঘূর্ণন কি সত্যি সত্যি থেকে যেতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য নাসা র একটি গবেষণার ফলাফল উল্লেখ করা যেতে পারে। নাসার মতানুসারে “দিনের দৈর্ঘ প্রতি ১০০ বছরে ২.৩ মিলি সেকেন্ড করে বৃদ্ধি পাচ্ছে, অর্থাৎ কয়েক বিলিয়ন বছর পর দিনের দৈর্ঘ রাতের দৈর্ঘের চেয়ে বেশি হবে। এরূপ অবস্থায় হয়ত আমাদের পৃথিবির ঘূর্ণন থেমে গেলেও যেতে পারে।

ধন্যবাদ এতক্ষন ‘স্টুডেন্ট কেয়ারের’ সাথে থাকার জন্য। এই লেখাটি লিখেছেন “Geo-Observing Centre” ফেসবুক পেজ (পেজটি লাইক করার জন্য এখানে ক্লিক করুন) এবং “Geography & Environment” নামন ফেসবুক গ্রুপের (গ্রুপে যুক্ত হতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন) সদস্যবৃন্দরা একত্রে।

লেখাটির মূল সূত্র

১. প্রথম সূত্র

২. দ্বিতীয় সূত্র

৩. তৃতীয় সূত্র

৪. চতুর্থ সূত্র

৫. পঞ্চম সূত্র

৬. ষষ্ঠ সূত্

Students Care

স্টুডেন্টস কেয়ারে সকলকে স্বাগতম! বাংলা ভাষায় জ্ঞান চর্চার সমস্ত খবরা-খবরের একটি অনলাইন পোর্টাল "স্টুডেন্ট কেয়ার"। পশ্চিমবঙ্গের সকল বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের এবং সমস্ত চাকুরী প্রার্থীদের জন্য, এছাড়াও সকল জ্ঞান পিপাসু জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তিবর্গদের সুবিধার্থে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: স্টুডেন্টস কেয়ার কতৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত !!