কারক ও বিভক্তি নির্ণয় ও সহজে মনে রাখার কৌশল PDF

এখান থেকে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  

কারক ও বিভক্তি PDF

কারক ও বিভক্তি PDF : বাংলা ব্যাকরণে কারক ও বিভক্তি অবিচ্ছেদ্য অংশ। যদিও বিষয়টা খুবই সহজ তবুও ইহা নির্ণয় করতে আমাদেরকে অনেক সময় সমস্যায় পড়তে হয়। তাই আজ আমরা জানবো কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের সহজ পদ্ধতি।

♥ বিভক্তি কাকে বলা হয়?

বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য শব্দের সঙ্গে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয় তাদের বিভক্তি বলে। যেমন- শিশুটি ছাদে বসে আছে। বাক্যটিতে ছাদে (ছাদ + এ বিভক্তি)।

♦ বিভক্তি কয় প্রকার?

বিভক্তি প্রধানত দুই প্রকার: যথা- ১. নাম বা শব্দ বিভক্তি ২. ক্রিয়া বিভক্তি

⇒ বাংলা শব্দ বিভক্তি কয় প্রকার?

বাংলা শব্দ বিভক্তি সাত প্রকার:

বিভক্তি একবচন বহুবচন
প্রথমা ০, অ রা,এরা,গুলি,গুলো,গণ,বন্দ, সমূহ
দ্বিতীয়া কে, রে, এরে দিগকে,দেরকে,দিগেরকে,দিগেরে,দের
তৃতীয়া দ্বারা,দিয়া,দিয়ে,কর্তৃক দিগকে দ্বারা,দের দিয়া, দিগ কর্তৃক, গুলো দ্বারা
চতুর্থী কে, রে, এরে দিগকে,দেরকে,দিগেরকে,দিগেরে,দের
পঞ্চমী হতে, হইতে, থেকে, চেয়ে দিগ হইতে,দের হইতে,দের থেকে,দিগের চেয়ে
ষষ্ঠী র, এর দের, দিগের,গুলির,গুলোর,বৃন্দের
সপ্তমী এ, য়, তে, এতে দিগে,দিগেতে,গুলিতে,গুলোর মধ্যে,গণের মধ্যে

♠ বিভক্তি সম্পর্কে কিছু তথ্য

  • চতুর্থী বিভক্তি শুধুমাত্র সম্প্রদান কারকে যুক্ত হয়।
  • বচনভেদে বিভক্তির আকৃতি পরিবর্তিত হয়। তবে কোন বিভক্তি চিহ্নিত করার জন্য উপরের বিভক্তির তালিকাটি মনে রাখলেই চলবে।
  • বিভক্তির নাম লেখার সময় কখনো সংক্ষিপ্ত আকারে লেখা যাবে না। অর্থাৎ “দ্বিতীয়া বিভক্তিকে” কখনোই “২য়া বিভক্তি” লেখা যাবে না।
  • বিভক্তির তালিকাটি ভালোভাবে আত্মস্থ করতে হবে, প্রয়োজন হলে মুখস্থ করতে হবে।

[ আরও পোড়ুন- ঘড়ির কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ নির্ণয় করার শর্টকাট পদ্ধতি ১৫-২০ সেকেন্ডে!]

♥ কারক কাকে বলা হয়?

কারক শব্দের মানে ‘যে ক্রিয়া সম্পাদন করে’। কারক এর সন্ধি বিচ্ছেদ হলো ‘কৃ + ণক’। বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের সম্পর্ককে কারক বলে। অর্থাৎ, বাক্যের ক্রিয়াপদের সঙ্গে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে।

♥ কারকের শ্রেণিবিভাগ-

কারক ছয় প্রকার। যথা- কর্তৃকারক, কর্মকারক, করণ কারক, সম্প্রদান কারক, অপাদান কারক এবং অধিকরণ কারক।

♦ কারক ও বিভক্তি নির্ণয় ও সহজে মনে রাখার কৌশল

প্রতিটি কারক চেনার জন্য ক্রিয়াকে যে প্রশ্নগুলো করবেন: কে, কারা?, কী, কাকে?, কী দিয়ে?, কাকে দান করা হল?, কি হতে বের হল?, কোথায়, কখন, কী বিষয়ে? কোনটা কোন কারক সহজেই চিনবেন যে কৌশলে তা নিচে দেওয়া হল:-

ক্রিয়াপদকে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় কারক
কে/কারা? কর্তৃকারক
কি/কাকে? কর্মকারক
কিভাবে/কেন/কিসের দ্বারা? করণকারক
কি/কাকে?(স্বত্ব ত্যাগ) সম্প্রদানকারক
কোথা হতে?(উৎস, বিচ্যুতি, স্থানান্তর, আরম্ভ) অপাদানকারক
কখন/কোথায়/কোন বিষয়ে? অধিকরণকারক

১. কর্তৃকারক চেনার উপায়:

বাক্যস্থিত যে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্তা বা কর্তৃকারক বলে। ক্রিয়াকে ‘কে/ কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।

যেমন: আমি ভাত খাই।

বালকেরা মাছে ফুটবল খেলছে।

এখানে মনে রাখার উপায় হচ্ছে ‘কে’ বা ‘কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে সেই কর্তা বা কর্তৃকারক

কে ভাত খায়? উত্তর হচ্ছে আমি

কারা ফুটবল খেলছে ? উত্তর হচ্ছে-বালকেরা

তাহলে আমি এবং বালকেরা হচ্ছে কর্তৃকারক।

বিঃ দ্রঃ- কর্মবাচ্য ও ভাববাচ্যের বাক্যে এই নিয়ম খাটবে না। সেক্ষেত্রে একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

⇒ কর্তৃ কারকের শ্রেণিবিভাগ-

(অ) বৈশিষ্ট্যনুসারে কর্তৃকারক ৪ প্রকার। যথাঃ- ১. মুখ্য কর্তা ২. প্রযোজক কর্তা ৩. প্রযোজ্য কর্তা ৪. ব্যতিহার কর্তা।

১.মুখ্য কর্তাঃ নিজেই ক্রিয়া সম্পন্ন করে এমন কর্তাকে মুখ্য কর্তা বলে। যেমনঃ পিয়ালী ভাত খাচ্ছে, রিয়া বই পড়ে।

২.প্রযোজক কর্তাঃ অন্য কাউকে জড়িত করে যে কর্তা তার কাজ সম্পাদন করে তাকে প্রযোজক কর্তা বলে। এই ক্ষেত্রে বাক্যে Direct object থাকবে না। যেমন- শিক্ষক ছাত্রদেরকে পড়াচ্ছেন।

৩.প্রযোজ্য কর্তাঃ যাকে জড়িত করে প্রযোজক কর্তা কাজ সম্পাদান করে তাকে প্রযোজ্য কর্তা বলে। এই ক্ষেত্রে বাক্যে Direct object থাকবে না। যেমন- শিক্ষক ছাত্রদেরকে পড়াচ্ছেন।

[আরও পড়ুন- আন্টার্কটিকা মহাদেশের আশ্চর্যকর ২০টি অজানা তথ্য]

৪.ব্যতিহার কর্তাঃ দুইজন কর্তা একত্রে একই জাতীয় ক্রিয়া সম্পাদান করলে তাদেরকে ব্যতিহার কর্তা বলে। যেমনঃ রাজায় রাজায় লড়াই চলছে।

(আ) বাক্যের বাচ্য অনুসারে কর্তৃকারক আবার ৩ প্রকার। যথাঃ ১.কর্ম বাচ্যের কর্তা ২.ভাব বাচ্যের কর্তা ৩.কর্ম-কর্তৃবাচ্যের কর্তা।

১.কর্ম বাচ্যের কর্তাঃ কোন বাক্যে কর্তার চেয়ে কর্ম বেশি প্রাধান্য পেলে, সে কর্মপদকে কর্ম বাচ্যের কর্তা (Passive Voice এর Subject)বলে। যেমন- অমিত সাহায্য পেয়েছে।

২.ভাব বাচ্যের কর্তাঃ কোন বাক্যে কর্তা ও কর্মের চেয়ে ক্রিয়াপদ বেশি প্রাধান্য পেলে, সে ক্রিয়াপদকে ভাব বাচ্যের কর্তা বলে। যেমন- আমার আসা হবে না।

৩.কর্ম-কর্তৃবাচ্যের কর্তাঃ কোন বাক্যে কর্মপদ যদি কর্তারূপে কাজ সম্পাদন করে, তাকে কর্ম-কর্তৃবাচ্যের কর্তা(Quasi-Passive এর Subject) বলে। যেমন- বাঁশি বাজে।

২. কর্মকারক চেনার উপায়:

যাকে অবলম্বন করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে ক্রিয়ার কর্ম বা কর্মকারক বলে। ক্রিয়াকে ‘কী/ কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্মকারক

যেমন: আমি ভাত খাই।

শৌভিক শঙ্কর কে মেরেছে।

এখানে মনে রাখার উপায় হচ্ছে ‘কি’ বা ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে সেই কর্ম বা কর্মকারক

আমি কি খাই? উত্তর হচ্ছে-ভাত

শৌভিক কাকে মেরেছে? উত্তর হচ্ছে-শঙ্করকে

⇒ কর্ম কারকের শ্রেণিবিভাগ

কর্মকারক সাধারণত ৫ প্রকার। যথাঃ ১.মুখ্য কর্ম ২.গৌণ কর্ম ৩.উদ্দেশ্য কর্ম ৪.বিধেয় কর্ম ৫.সমধাতুজ কর্ম

১.মুখ্য কর্মঃ কর্তা যা(অব্যক্তিবাচক) করে তাকেই মুখ্য কর্ম (Direct Object) বলে। যেমন- আমরা ভাত খাই।

২.গৌণ কর্মঃ ব্যক্তিবাচক কর্মকে গৌণ কর্ম (Indirect Object) বলে। এই ক্ষেত্রে বাক্যে Direct object থাকবে। যেমন- আমি খালেককে টাকা দিলাম।

৩.উদ্দেশ্য কর্মঃ কোন ব্যক্তি বা বস্তু যদি অন্য নামে পরিচিত অথবা অন্য কাজে বা উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়, তবে মূল ব্যক্তি বা বস্তু হলো উদ্দেশ্য কর্ম। যেমন- দুধকে মোরা দুগ্ধ বলে।

৪.বিধেয় কর্মঃ উদ্দেশ্য কর্ম যে নামে পরিচিত অথবা যে কাজে বা উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় তাকে বিধেয় কর্ম (Factitive Object) বলে। যেমন- দুধকে মোরা দুগ্ধ বলে।

৫.সমধাতুজ কর্মঃ কর্মকারক যদি ক্রিয়াপদের সমার্থক হয়, তবে তাকে সমধাতুজ কর্ম (Cognate object) বলে। যেমন- কুলছুম একটা কান্নাই কাঁদল।

৩. করণকারক চেনার উপায়:

করণ শব্দের অর্থ যন্ত্র, সহায়ক বা উপায়। যে উপাদান বা উপায়ে ক্রিয়া সম্পাদন করা হয়, তাকে করণ কারক বলে। ক্রিয়াকে ‘কী দিয়ে/ কী উপায়ে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই করণ কারক

যেমন- নীরা কলম দিয়ে লেখে।

সাধনায় সিদ্ধি লাভ হয়।

এখানে মনে রাখার উপায় হচ্ছে ‘কীসের দ্বারা’ বা ‘কী উপায়ে’ দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পেলে সেই করণ কারক।

নীরা কীসের দ্বারা লেখে? উত্তর হচ্ছে-কলম

কী উপায়ে বা কোন উপায়ে কীর্তিমান হওয়া যায়? উত্তর হচ্ছে-সাধনায়

⇒ করণ কারকের শ্রেণিবিভাগ

করণ কারক তিন প্রকার। যথা- ১.উপায়ত্মক করণ কারক ২.হেত্বার্থক করণ কারক ৩. লক্ষণাত্মক করণ কারক

১.উপায়ত্মক করণ কারকঃ যে উপায় বা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে উপায়ত্মক করণ কারক (Adverb of Manner) বলে। যেমন– আমরা কলম দিয়ে লিখি।

২.হেত্বার্থক করণ কারকঃ যা দ্বারা ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার হেতু বা কারণ বুঝায়, তাকে হেত্বার্থক করণ কারক(Adverb of Cause) বলে। যেমন- সে আনন্দে হাসতে লাগল।

৩. লক্ষণাত্মক করণ কারকঃ যা দ্বারা ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার লক্ষণ বা চিহ্ন বুঝা যায়, তাকে লক্ষণাত্মক করণ কারক বলে। যেমন- ফলই বৃক্ষের পরিচয়।

৪. সম্প্রদান কারক চেনার উপায়:

যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে কিছু দেয়া হয়, তাকে সম্প্রদান কারক বলে। ‘কাকে দান করা হল’ প্রশ্নের উত্তরই হলো সম্প্রদান কারককাকে দান করা হল? = সম্প্রদান কারক। স্বত্ব ত্যাগ বোঝাবে।

যেমন- ভিক্ষারীকে ভিক্ষা দাও।

গুরুজনে কর নতি।

মনে রাখার উপায় হচ্ছে-কর্মকারকের মত কাকে দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া যাবে।

তবে এখানে স্বত্ব থাকবেনা। যেমন মানুষ ভিক্ষারীকে দান করে কোন স্বত্ব ছাড়াই যাকে বলে নি:শর্ত ভাবে। আবার গুরুজনকে মানুষ সম্মান করে কোন স্বার্থ ছাড়াই।

৫. অপাদান কারক চেনার উপায়:

যা থেকে কোন কিছু গৃহীত, বিচ্যুত, জাত, বিরত, আরম্ভ, দূরীভূত, রক্ষিত, ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। অর্থাৎ, অপাদান কারক থেকে কোন কিছু বের হওয়া বোঝায়। ‘কি হতে বের হল’ প্রশ্নের উত্তরই অপাদান কারক।

যেমন- গাছ থেকে পাতা পড়ে।

পাপে বিরত হও।

এখাছে কোথা থেকে পাতা পড়ে? উত্তর হচ্ছে-গাছ

কি হতে বিরত হও? উত্তর হচ্ছে – পাপ

৬. অধিকরণ কারক চেনার উপায়:

ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে (সময় এবং স্থানকে) অধিকরণ কারক বলে। ক্রিয়াকে ‘কোথায়/ কখন/ কী বিষয়ে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই অধিকরণ কারক

যেমন- আমরা রোজ স্কুলে যাই

প্রভাতে সূর্য ওঠে।

মনে রাখার উপায় হচ্ছে-কোথায় এবং কথন দিয়ে প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া যাবে।

আমরা রোজ কোথায় যাই? উত্তর হচ্ছে-স্কুলে। আর স্কুল একটি স্থান।

কখন সূর্য ওঠে? উত্তর হচ্ছে-প্রভাতে। আর প্রভাত একটি কাল বা সময়।

⇒ অধিকরণ কারকের শ্রেণিবিভাগ-

অধিকরণ কারক চার প্রকার। যথাঃ- ১.স্থানাধিকরণ ২.কালাধিকরণ ৩.বিষয়াধিকরণ ৪.ভাবাধিকরণ

১.স্থানাধিকরণঃ ক্রিয়া সংঘঠিত হওয়ার স্থানকে আধারাধিকরণ/স্থানাধিকরণ কারক(Adverb of Place) বলে। যেমন- তিলে তেল আছে। আমরা বাংলাদেশে বাস করি।

২.কালাধিকরণঃ ক্রিয়া সংঘঠিত হওয়ার কাল বা সময়কে কালাধিকরণ কারক(Adverb of Time) বলে। যেমন- আমি ২ তারিখে ঢাকা যাব।

৩.বিষয়াধিকরণঃ কোন বিষয় বা বিশেষগুণে কারো দক্ষতা বা অদক্ষতা অথবা ক্ষমতা বা অক্ষমতা বুঝালে তাকে বিষয়াধিকরণ কারক বলে। যেমন- জেসমিন অংকে ভাল তবে ইংরেজিতে দূর্বল।

৪.ভাবাধিকরণঃ কোন অসমাপিকা ক্রিয়া বা ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য যদি সমাপিকা ক্রিয়া সম্পাদান বুঝায় কিংবা একটি ক্রিয়ার ফলে যদি আরেকটি ক্রিয়া ঘটে তবে অপেক্ষাকৃত আগের ক্রিয়াটি হচ্ছে ভাবাধিকরণ কারক। যেমন- হাত পাকে লিখেলিখে। কান্নায় শোক হালকা হয়।

♦ কারক ও বিভক্তি PDF Download free

Read More


কারক ও বিভক্তি PDF, কারক ও বিভক্তি, bangla bakoron, karok bivokti, বাংলা ব্যকরণ, কারক ও বিভক্তি বিসিএস, কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের সহজ কৌশল, কারক প্রশ্ন, শূন্য বিভক্তি কাকে বলে, বেলা যে পড়ে এল জলকে চল কোন কারক, সমাস pdf, কারক ও অনুসর্গ, bengali grammar practice set, বিভক্তি কাকে বলে, নিমিত্ত কারক, কারক ও বিভক্তি পিডিএফ ফাইল ডাউনলোড, 100 কারক ও বিভক্তি MCQ PDF, karok o bivokti free pdf

কমেন্ট বক্সে মতামত জানান

error: স্টুডেন্টস কেয়ার কতৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত !!