মহাত্মা গান্ধীর জীবনী সহ নানান অজানা তথ্য || ২রা অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তী

এখান থেকে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •   
  •  

মহাত্মা গান্ধীর জীবনী

মহাত্মা গান্ধীর জীবনী : জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিন উপলক্ষে প্রতিবছরের ২ অক্টোবর দিনটি সারা দেশ ব্যাপী গান্ধী জয়ন্তী হিসাবে উদযাপন করা হয়ে থাকে। স্টুডেন্টস কেয়ারের পক্ষ থেকে গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষে গান্ধীজীর নানান তথ্য অবলম্বনে কুইজের আয়োজন করা হয়েছে। আপনারা এই কুইজে অংশ গ্রহণ করুণ এবং গান্ধীজী সম্পর্কে নানান তথ্য জেনে নিন।

আজকে এই পোস্টের মাধ্যমে গান্ধীজী সম্পর্কে নানান অজানা তথ্য গুলি জেনে নেবো। 

⇒ গান্ধীজী সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা-

১. মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী বা মহাত্মা গান্ধী একজন অন্যতম ভারতীয় রাজনীতিবিদ, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্রগামী ব্যক্তিদের একজন এবং প্রভাবশালী আধ্যাত্মিক নেতা। তার জন্ম হয়েছিল ২ অক্টোবর, ১৮৬৯ সালে গুজরাটের পোরবন্দরে (Porbandar)

২. মহাত্মা গান্ধী বাবার নাম করমচাঁদ উত্তমচাঁদ গান্ধী (Karamchand Gandhi) । সেই সময়ের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী গান্ধীর বাবা চারটি বিবাহ করেছিলেন। ছিলেন পোরবন্দরের দেওয়ান। মা ছিলেন পুতলিবা।

৩. মহাত্মা গান্ধী ছোটবেলায় খুবই অন্তর্মুখী স্বভাবের ছিলেন। তিনি স্কুল শেষ হলে কোন রকমে দৌড়ে বাড়ি চলে আসতেন। কারণ সহপাঠীদের সাথে একেবারেই মিশতে পারতেন না তিনি। লজ্জায় মুখে কথাই আসতো  না তাঁর, আর বন্ধুই বা বানাবেন কিভাবে। লন্ডন থেকে ব্যারিস্টারি পাশ করে এসেও গান্ধী সেই মুখচোরাই ছিলেন। ব্যবসায় প্রসার ছিল না। প্রসার হবেই বা কিভাবে? আদালতে দাঁড়িয়ে কথা বলতে গেলে তার যে পা কাঁপত। বিপক্ষের উকিল কিছু বললে তিনি আমতা আমতা করে কোন উত্তরই দিতে পারতেন না। এমন উকিলকে কে চাইবে? অগত্যা দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি দিলেন গান্ধী।

[আরও পড়ুন- জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস তালিকা ১২ টি মাসের]

৪. গান্ধীজীর মাতা তার সম্পূর্ণ জীবন ধর্মীয় কর্মে ব্যয় করেন। জীবনে কোনদিন তিনি পার্থিব বস্তুর ওপর গুরুত্ব দেননি। তার বেশিরভাগ সময়ই মন্দিরে এবং গৃহকাজে কাটতো। বাস্তবে তিনি ছিলেন পরিবারের প্রতি সমর্পিত আধ্যাত্বিক মহিলা। রোগীর সেবা করা, ব্রত, উপাসনা করা তার দৈনিক জীবন চর্চা ছিল।

⇒ ভারতবর্ষে গান্ধীজীর কয়েকটি আন্দোলন

১. চম্পারন আন্দোলন

১৯১৮ সালে গান্ধীজী ইংরেজ জমিদারদের বিরুদ্ধে বলপূর্বক নীল চাষ করানোর অভিযোগ এনে চম্পারন আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।

২. খেড়া সত্যাগ্ৰহ

১৯১৮ সালে খেড়া নামক স্থানে মনে হয় এবং প্রচুর ফসল নষ্ট হয়েছিল, যার ফলে কৃষকদের কর ছাড়ের প্রয়োজন ছিল। ফলস্বরূপ, গান্ধীজি পুনরায় অহিংস খেড়া সত্যাগ্ৰহ আন্দোলন শুরু করেন।

৩. খিলাফত আন্দোলন

খিলাফত আন্দোলন সর্বভারতীয় আন্দোলন ছিল। ১৯১৯ সালে গান্ধীজীর অনুমান করলেন যে কংগ্রেস দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। ফলে তিনি মুসলিম সমাজের কাছে যান। তাঁ পরিকল্পনা ছিল হিন্দু মুসলিম একতা বজায় রেখে ব্রিটিশদের ভারত ছাড়তে বাধ্য করা।

৪. অসহযোগ আন্দোলন

বিভিন্ন আন্দোলনের মোকাবিলা করার জন্য ইংরেজ সরকার 1919 রাওলাট আইন (Roulatt Act) পাশ করেন। এই আইনের পরিপ্রেক্ষিতে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। মহাত্মা গান্ধী এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ১৯২০ সালে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেন। এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয়রা যেন কোন ভাবে ইংরেজদের সাহায্য না করে।

৫. ডান্ডি আন্দোলন

১৯৩০ সালে তিনি এই শুরু করেন। এ আন্দোলন লবণ সত্যাগ্রহ আন্দোলন বা ডান্ডি আন্দোলন বা ডান্ডি মার্চ বা Civil Disobedience Movement নামে পরিচিত।

৬. ভারত ছাড়ো আন্দোলন

১৯৪২ সালে তিনি বিস্তৃতভাবে ভারত ছাড়ো আন্দোলন শুরু করেন।

⇒ গান্ধীজীর বিভিন্ন উপাধি

  • নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু গান্ধীজী কে রাষ্ট্রপিতা বলে সম্বোধন করেন।
  • ভারত বর্ষে মহাত্মা গান্ধীকে জাতির জনক  বলা হয়।
  • রবীনাথ ঠাকুর মাতা গান্ধীজী কে মহাত্মা উপাধি দেন।
  • গান্ধীজিকে অর্ধনগ্ন সাধু (Half Naked Saint) বলতেন Frank Mores
  • চার্চিল (Winston Churchill, ১৯৩১) গান্ধীজীকে ফকির বলতেন।

⇒ মহাত্মা গান্ধীর আত্বজীবনীর নাম কী?

“My experiments with truth”.

⇒ গান্ধীজীর লেখা বই

  • হিন্দ স্বরাজ (Hind Swaraj), ১৯০৯
  • My experiments with truth, ১৯২৭ – মহাত্মা গান্ধীর আত্ম জীবনী

⇒ গান্ধীজী সম্পাদিত পত্র পত্রিকা

  • Indian Opinion (১৯০৩-১৫) – ইংরেজি, হিন্দি, গুজরাটি ও তেলেগু ভাষায়।
  • Harijan (হরিজন ১৯১৯-৩১) – ইংরেজি, গুজরাটি ও হিন্দি ভাষায়।
  • Young India – ইংরেজি ও গুজরাটি ভাষায়।

১৯৪৮ সালের ৩০ জানুয়ারি গান্ধীজীর মৃত্যু হয়। নাথুরাম গডসে গান্ধীজিকে গুলি করে হত্যা করেন।

গান্ধীজীর মুখ থেকে নিঃসৃত শেষ কথাটি ছিল “হে রাম”

♦ গান্ধীজীর সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য :

  • ১৮৮৮ সালে ব্যারিস্টারি পড়ার জন্য তিনি লন্ডনে যান।
  • ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাঝে মহাত্মা গান্ধী ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নির্বাহী দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। তার নেতৃত্বে কংগ্রেস স্বরাজের লক্ষ্যকে সামনে রেখে নতুন সংবিধান গ্রহণ করেন।
  • ৪টি মহাদেশের ১২টি দেশের গণ-আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
  • ১৯২৮ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটিশ সরকারের প্রতি ভারতকে ডোমিনিয়নের মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানান।
  • ১৯৩৩ সালের ৮ মে তিনি হরিজন আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে ২১ দিন ধরে অনশন করেন।
  • ব্রিটেন মহাত্মার জন্ম শতবর্ষ উপলক্ষে ১৯৬৯ সালে তাঁর নামে ডাকটিকিট চালু করে।
  • স্বাধীনতা পাওয়ার পরে ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর প্রথম বক্তৃতার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন না গান্ধী। ধর্মীয় সংহতি বজায় রাখতে কলকাতায় ছিলেন তিনি।
  • মহাত্মা গান্ধীর ইংরেজি উচ্চারণের মধ্যে আইরিশ প্রভাব ছিল। কারণ তাঁর প্রথম শিক্ষক ছিলেন একজন আইরিশ।
  • গান্ধীজী কখনো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাননি। তবে সেখানেও তাঁর ভক্ত কম নেই। তাঁর অন্যতম বড় অনুরাগী ছিলেন হেনরি ফোর্ড। এক সাংবাদিকের হাত দিয়ে তাঁকে একটি সুতা কাটার চরকা উপহার দেন গান্ধী।

⇒ গান্ধীজী কে নিয়ে কিছু SAQ প্রশ্ন উত্তর

 

১. গান্ধীজীর আসল নাম কী ছিল?

উঃ মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী

২. গান্ধীজীর বাবার নাম কি ছিল?

উঃ করমচাঁদ উত্তমচাঁদ গান্ধী

৩. গান্ধীজীর বাবার ডাক নাম কী ছিল?

উঃ কাবা গান্ধী

৪. গান্ধীজীর ঠাকুরদার নাম কী ছিল?

উঃ উত্তমচাঁদ গান্ধী

৫. গান্ধীজীর মার নাম কী ছিল?

উঃ পুতলিবা।

৬. গান্ধীজীর স্ত্রীর নাম কী ছিলো?

উঃ কস্তুরবা মাখাঞ্জী (কাস্তুবাই নামেও পরিচিত ছিলেন)

৭. গান্ধীজীর শশুরের নাম কী ছিল?

উঃ গোকূলদাস কাপাডিয়া

৮. গান্ধীজীর চার পুত্র সন্তানের নাম কী?

উঃ হরিলাল, মণিলাল, রামদাস, দেবদাস।

৯. কোন্‌ সালে এবং কত বছর বয়সে গান্ধীজী মেট্রিক পাস করেন?

উঃ ১৮৮৭ সালে.১৮ বছর বয়সে।

⇒ গান্ধীজীর কিছু বিশেষ বাণী

  • যখনই কোনও প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হবে, তাকে ভালোবাসার সাথে অর্জন করো।
  • দুর্বল মানুষ কখনও ক্ষমা করতে পারে না, ক্ষমা শক্তিমানের ধর্ম।
  • আজ তুমি যা করবে, তার উপরই নির্ভর করবে ভবিষ্যত।
  • চোখের বদলে চোখ গোটা বিশ্বকে অন্ধ করে দেবে।
  • এমনভাবে জীবনযাপন করো, যেন মনে হয় তুমি আগামীকালই মারা যাবে। এমনভাবে শিখবে যেন তোমার সময়ের অভাব নেই,তুমি চিরজীবী।
  • ভালোবাসা জগতের সবচেয়ে শক্তিশালী শক্তি।
  • যেদিন ভালবাসা, ক্ষমতার লোভকে হরিয়ে দেবে, সেদিন এই পৃথিবীতে শান্তি ফিরে আসবে।
  • পৃথিবীতে তুমি যে পরিবর্তন দেখতে চাও তা নিজ থেকেই শুরু করো।
  • ভিড়ের মধ্যে দাঁড়ানো সহজ, কিন্তু একাকী দাঁড়াতে সাহস দরকার।

⇒ গান্ধীজীকে নিয়ে বিশেষ কুইজ পরিবেষণ

১. মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীকে ‘মহাত্মা’ উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন?

ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খ) ব্রিটিশ সরকার

গ) জওহরলাল নেহেরু

ঘ) এক অজ্ঞাত সাংবাদিক

উত্তর- 

২. গান্ধীজী কে “জাতির জনক” নামে সম্বোধন করেন কে?

ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

খ) বিদ্যাসাগর

গ) জওহরলাল নেহেরু

ঘ) নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু

উত্তর- 

৩. জাতিসংঘ কবে গান্ধীজীর স্মরণে ২রা অক্টোবরকে “আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস” হিসেবে ঘোষণা করে?

ক) ১৫ জুন ২০০৭

খ) ১৫ জুন ২০১০

গ) ১৮ জুন ২০০৭

ঘ) ১৫ জুলাই ২০০৭

উত্তর- 

ব্যাখ্যা- ২০০৭ সালের ১৫ই জুন জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ২রা অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক অহিংস দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। জাতিসংঘের সকল সদস্য দেশ এ দিবস পালনে সম্মতি জ্ঞাপন করে।

৪. কত বছর বয়সে গান্ধীজী কে কাস্তবাইয়ের সাথে বিয়ের বন্ধনে বেঁধে দেয়া হয়?

ক) ১৪

খ) ১৩

গ) ২১

ঘ) ১৮

উত্তর- 

ব্যাখ্যা- গান্ধী কিশোর বয়সে বিয়ে করেছিলেন। করেছিলেন বললে খানিক ভুল হবে, করানো হয়েছিল। কাস্তবাইয়ের সাথে তার ৭ বছর বয়সেই বিয়ে ঠিক হয়। ১৮৮৩ সালে ১৩ বছর বয়সের গান্ধীকে ১৪ বছর বয়সী কাস্তবাইয়ের সাথে বিয়ের বন্ধনে বেঁধে দেয়া হয়। সেই বন্ধন গান্ধী সারাজীবন অটুট রেখেছিলেন। শুধু তাই নয়, গান্ধীর সকল আন্দোলনের অন্যতম অনুপ্রেরণাদাত্রীও ছিলেন কাস্তবাই। যদিও ৩৭ বছর বয়সে গান্ধী নারী সংসর্গ পরিত্যাগ করেন। বৈবাহিক জীবনে কাস্তবাই এবং গান্ধী ৪ ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। এদের নাম হল- হরিলাল, মণিলাল, রামদাস, দেবদাস।

৫. “রামচন্দ্রের লঙ্কা অভিযানের মত গান্ধীজীর এই মিছিল স্মরণীয় হয়ে থাকবে”- গান্ধীজীর ডান্ডি অভিযান সম্পর্কে কে এই উক্তি করেছিলেন?

ক) সরোজিনী নাইডু

খ) মতিলাল নেহেরু

গ) বল্লবভাই প্যাটেল

ঘ) জওহরলাল নেহেরু

উত্তর- 

ব্যাখ্যা- ১৯৩০ সালের ১২ মার্চ ডান্ডি পদযাত্রা বা লবন সত্যাগ্রহ শুরু হয়। এই সত্যাগ্রহ ছিল ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। লবণ পদযাত্রা ঔপনিবেশিক ভারতে ব্রিটিশদের একচেটিয়া লবণ নীতির বিরুদ্ধে একটি অহিংস করপ্রদান-বিরোধী প্রতিবাদ আন্দোলন। এই আন্দোলনের মাধ্যমেই আইন অমান্য আন্দোলনের সূচনা হয়।

মহাত্মা গান্ধী আমেদাবাদের কাছে তার সবরমতী আশ্রম থেকে ডান্ডি পদযাত্রা শুরু করে ২৪ দিনে ২৪০ মাইল (৩৯০ কিলোমিটার) পথ পায়ে হেঁটে ডান্ডি গ্রামে এসে বিনা-করে সমুদ্রের জল থেকে লবণ প্রস্তুত করেন। বিরাট সংখ্যক ভারতীয় তার সঙ্গে ডান্ডিতে আসেন। ১৯৩০ সালের ৬ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৬টার সময় গান্ধীজি লবণ আইন ভেঙে প্রথম লবণ প্রস্তুত করেছিলেন।

৬. বাল্যকালে গান্ধীজীর ডাক নাম কী ছিল?

ক) মানু বা মানিয়া

খ) মনু

গ) সোনা

ঘ) কমল

উত্তর- 

৭. ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট মুম্বাই এর গৌলিয়া ট্যাঙ্ক ময়দানে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের গান্ধীজীর সেই বিখ্যাত স্লোগানটি কি ছিল?

ক) ‘করো অথবা মরো’ (Do or Die)

খ) ‘সারে জাহাঁ সে আচ্ছা..’

গ) ‘স্বরাজ জন্মগত অধিকার’

ঘ) ‘সরফোরশি কি তমন্না’

উত্তর- 

৮. গান্ধীজী তাঁর ফুসফুসের সাথে তুলনা করেছেন নিচের কোন্‌ দুটি কে?

ক) ব্রম্ভ্রচর্য ও ত্যাগ

খ) অহিংসা ও শান্তি

গ) অহিংসা ও সত্য

ঘ) সত্য ও শান্তি

উত্তর- 

৯. “নতজানু হয়ে রুটি চেয়ে পেলাম কেবল পাথর”-এই বিখ্যাত উক্তিটি গাধীজী কোন আন্দোলের পরিপ্রেক্ষিতে করেছিলেন?

ক) ডান্ডি অভিযান

খ) অসহযোগ আন্দোলন

গ) ভারত ছাড়ো আন্দোলন

ঘ) খিলাফৎ আন্দোলন

উত্তর- 

১০. গান্ধী তার জীবদ্দশায় দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ভারতে সব মিলিয়ে কতবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন?

ক) ১৩ বার

খ) ১৪ বার

গ) ২২ বার

ঘ) ৩১ বার

উত্তর- 

ব্যাখ্যা- গান্ধী তার জীবদ্দশায় দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ভারতে সব মিলিয়ে ১৩ বার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। সবচেয়ে বড় সাজার আদেশ পেয়েছিলেন ১৯২২ সালে Young India পত্রিকায় ব্রিটিশ বিরোধী জ্বালাময়ী আর্টিকেল লেখার জন্য তাকে ৬ বছরের কারাদন্ড দেয়া হয় কিন্তু অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে ১৯২৪ সালেই মুক্তি দেয়া হয়।

১১. নোবেল কমিটি গান্ধীজী কে কতবার নোবেল মনোনয়ন দিয়েছিল?

ক) ৩ বার

খ) ৬ বার

গ) ৪ বার

ঘ) ৫ বার

উত্তর- 

ব্যাখ্যা- আমরা ভালো কাজকে পুরস্কৃত করে থাকি। কিন্তু কিছু কিছু কর্ম থাকে, কিছু কিছু মানুষ থাকেন যারা সকল পুরস্কারের ঊর্ধ্বে, বরং পুরষ্কার তাদের মহৎ কর্মকে খাটো করে। গান্ধী হলেন তেমনি পুরস্কারের ঊর্ধ্বের মানুষ। যাকে নোবেল কমিটি ৫ বার নোবেল মনোনয়ন দিয়েছিল। ১৯৩৭, ১৯৩৮, ১৯৩৯ এবং ১৯৪৭ সালে মনোনয়ন দিলেও ১৯৪৮ সালে শান্তিতে নোবেল গান্ধিরই পাবার কথা ছিল। কিন্তু ২ অক্টোবর আততায়ীর গুলিতে মৃত্যু হওয়ায় গান্ধীকে পুরষ্কার দিয়ে খাটো করা যায়নি।

১২. মহাত্মা গান্ধী জগৎ বিখ্যাত “Time Magazine” এর ‘Man of the Year’ হয়েছিলেন কত সালে?

ক) ১৯৩০

খ) ১৯৪০

গ) ১৯৩১

ঘ) ১৯৩৫

উত্তর- ক


গান্ধীজীকে নিয়ে বিশেষ কুইজ পরিবেষণ, Jatir Janak Mahatma Gandhi in Bengali, হিন্দ স্বরাজ, সত্যাগ্রহ আন্দোলন, হরিলাল গান্ধী, অহিংস অসহযোগ আন্দোলন, মহাত্মা গান্ধীর উক্তি, গান্ধীজীর বুনিয়াদি শিক্ষা, মহাত্মা গান্ধী ৰচনা অসমীয়া, জওহরলাল নেহেরু, গান্ধীজির অপকর্ম বই PDF, মহাত্মা গান্ধীর সন্তান, গান্ধীজির ব্রহ্মচর্য পরীক্ষা, মহাত্মা গান্ধীর বাণী, গান্ধীর ছাগল চুরি, কে অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন, চরমপন্থী কাকে বলে, কাইজার ই হিন্দ কাকে বলা হত, স্বাধীনতা আন্দোলনে মহাত্মা গান্ধীর ভূমিকা, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে মুসলমানদের ভূমিকা, মহাত্মা গান্ধী বই pdf, নাথুরাম গডসের জীবন কাহিনী, ভারতের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন, গান্ধী হত্যা, মহাত্মা গান্ধী জীবনী, মহাত্মা গান্ধী বিষয়, মহাত্মা গান্ধী অনুচ্ছেদ রচনা, মহাত্মা গান্ধী কুইজ, মহাত্মা গান্ধীর মৃত্যু, মহাত্মা গান্ধী বই pdf, গান্ধী জয়ন্তী রচনা, মহাত্মা গান্ধীর সন্তান, মহাত্মা গান্ধীর বাণী, মহাত্মা গান্ধীর কিছু অজানা তথ্য, গান্ধী সম্পর্কে সেই ১২টি তথ্য, মহাত্মা গান্ধী সম্পর্কে ১৩টি অজানা তথ্য, গান্ধীজিকে কেন হত্যা করা হয়েছিল

Students Care

স্টুডেন্টস কেয়ারে সকলকে স্বাগতম! বাংলা ভাষায় জ্ঞান চর্চার সমস্ত খবরা-খবরের একটি অনলাইন পোর্টাল "স্টুডেন্ট কেয়ার"। পশ্চিমবঙ্গের সকল বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের এবং সমস্ত চাকুরী প্রার্থীদের জন্য, এছাড়াও সকল জ্ঞান পিপাসু জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তিবর্গদের সুবিধার্থে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

error: স্টুডেন্টস কেয়ার কতৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত !!