পৃথিবীর অদ্ভুত সুন্দর অবাক করা দশটি সমুদ্র সৈকত

এখান থেকে শেয়ার করুন
  • 312
    Shares

World’s top ten amazing sea beach

সম্মুখ ও পশ্চাৎ তটভূমির ওপর তরঙ্গবাহিত ও স্থল বিধৌত পদার্থ সঞ্চিত হয়ে সমুদ্রের দিকে মৃদু ঢালু, অস্থায়ী, প্রায় সমতল যে সুবিস্তৃত ভূমি গঠিত হয় তাকেই আমরা সৈকত বা বেলাভূমি বা ইংরেজিতে Beach নামে চিনি। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ধরণের সমুদ্র সৈকত রয়েছে যেগুলি হয় আমাদের মধ্যে অনেকেই জানেন না। আজ আমরা সেরকমি দশটি অদ্ভুত সুন্দর রহস্যময় সমুদ্র সৈকতগুলিকে নিয়ে আলোচনা করব।

১. হোয়াইট হ্যাভেন বিচ–অস্ট্রেলিয়া

সমুদ্র সৈকতে ভ্রমনে গিয়ে যদি দেখেন যে চারিদিকে সাদা বালুকণাতে পরিপূর্ণ তাহলে আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন যে আপনি অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত সমুদ্র সৈকত হোয়াইয় হ্যাভেনে চলে এসেছেন! হ্যাঁ ঠিকি ভেবেছেন, অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ডে অবস্থিত হোয়াইট হ্যাভেন বিচ। এই অপরূপ সৈকতটি প্রায় ৭ মাইল এলাকা জুড়ে অবস্থান করছে।এই বিচ মূলত খ্যাতি লাভ করেছে এখানকার সাদা বালির জন্য। এখানকার বালিতে প্রায় ৯৮% সিলিকা সমৃদ্ধ থাকার ফলে এই সোইকতের বালিগুলি শ্বেত বর্ণ ধারন করেছে। সিলিকা থাকার ফলে এই বালুকাময় সৈকতটি বেশি উত্তপ্ত হতে পারেনা (এই বালি তাপ ধরে রাখে না) অর্থাৎ আপনি যদি প্রচন্ড গরমেও এখান দিয়ে হেঁটে যান তাহলে আপনি খুব বেশি তাপ অনুভব করবেন না!

হোয়াইট হ্যাভেন বিচ–অস্ট্রেলিয়া
হোয়াইট হ্যাভেন বিচ–অস্ট্রেলিয়া

এই সমুদ্র সৈকতটি কুইন্সল্যান্ডের সবচেয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন সমুদ্র সৈকতের স্বীকৃতি লাভ করেছে। ২০১০ সালে CNN.com এই সৈকতকে “ইকো ফ্রেন্ডলি বিচ” হিসাবে স্বীকৃত প্রদান করে। এখানে গেলে আপনাকে কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হবে, যেমন ধরুন- এখানে ধূমপান করা নিষিদ্ধ; এমনকি, এখানে কুকুরের চলাফেরা করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

২. প্লায়া দেল আমর, মেক্সিকো

প্লায়া দেল আমর
ছবিতে প্লায়া দেল আমর, মেক্সিকো

এই সমুদ্র সৈকতটি মেক্সিকোর পুয়ের্তো ভাল্লার্টাতে (ভ্যালার্তা উপকূল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে জনমানবহীন ম্যারিয়েটা দ্বীপে) অবস্থিত মেক্সিকোর অন্যতম আশ্চর্য! Playa del Amor (এর অর্থ হল Beach of Love)। এটি মানুষের কাছে লুকানো সৈকত হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে। প্রাকৃতিক ভাবেই বহু বছর ধরে সমদ্রের জল একটু একটু করে মাটির নিচ দিয়ে এবং উপরের অংশের কিছু কিছু মাটি ক্ষয় করে,তারপর একটি স্থানে গিয়ে গোলাকৃতির সুইমিং পুলের ন্যায় রুপ ধারন করেছে। সেই থেকেই একে লুকানো সৈকত বলা হয়ে থাকে।

প্লায়া দেল আমর, মেক্সিকো
প্লায়া দেল আমর, মেক্সিকো

মেক্সিকো হিডেন বীচ বা লুকানো সৈকত কীভাবে সৃষ্টি হয়েছিলো তার ইতিহাস হলো, সেই ১৯০০ সালের কথা। একটি সামরিক বিস্ফোরণের পরীক্ষাকালে এই অসাধারণ জায়গাটির উৎপত্তি হয়। মূলত এটি একটি দ্বীপ দ্বারা পরিবেষ্টিত। এই দ্বীপটি একটি প্রাকৃতিক উদ্যান। তবে এখানকার দৃশ্য সত্যিই এক অসাধারণ দৃশ্য।  এখানে একটি গুহার সৃষ্টি হয়েছে এবং গুহার ছাদের দিকের খোলা অংশ দিয়ে সূর্যের আলো প্রবেশ করার ফলে একটি রোমান্টিক পরিবেশের সৃষ্টি করে! এখানে যাওয়ার জন্য আপনাকে বোটে করে ঘন্টা খানেক পাড়ি দিয়ে একটি৫০ ফুট কৃত্রিম টানেলের মধ্য দিয়ে সাঁতারকেটে (যেটি প্রশান্ত মহাসাগরের সাথে যুক্ত করেছে) এই সৈকতের মূল কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। কমবয়সী তরুন-তরুনীদের কাছে এই সৈকত খুবি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে, বিশেষ করে কিছুটা রোমান্টিক সময় কাটানোর জন্য এর বিকল্প খুব কম পাওয়া যাবে!

৩. বেনাগিল সমুদ্র সৈকত, পর্তুগাল

পর্তুগালের আলগার্ভে রয়েছে একটি গুহার রাজ্য, অর্থাৎ আলগার্ভের এদিক ওদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে হাজারো গুহা। এই গুহাগুলোর কোনোটি ছোট, কোনোটি বেশ বড়। গুহার ভেতরটা লবণের গন্ধে ভরে থাকে। আর জলের ছলাত ছলাত শব্দে ভরিয়ে উঠেছে পরিবেশটি। এই গুহাগুলির কিছুটা দূরত্বের মধ্যে বেনাগিল নামক একটি গ্রাম রয়েছে; পর্তুগালের দক্ষিন উপকূলিয় অঞ্চলে অবস্থিত এটি। যে গ্রামের মানুষদের প্রধান জীবিকা হল মৎস আহরন; তবে ইদানীং তারা পর্যটনের দিকেও ঝুঁকছে। এবং এই গ্রামের মধ্যেই অদ্ভুত যে গুহাটি রয়েছে তার নাম হল বেনাগিল। তবে এই গুহার নির্দিষ্ট কোনো নাম না থাকলেও বেনাগিলের সমুদ্রপাড়ের গুহা বললে মোটামুটি সবাই ওটিই বুঝে নেয়। এই গুহাকে কেন্দ্র করেই সৃষ্টি হয়েছে প্রকান্ড একটি সৈকত, এই সৈকত ও গুহার টানেই বছরে কয়েক হাজার পর্যটক এখানে ভিড় জমায়। এখানে যেতে হলে আপনাকে জলপথে যেতে হবে।

বেনাগিল সমুদ্র সৈকত, পর্তুগাল
বেনাগিল সমুদ্র সৈকত, পর্তুগাল (সূত্র)

এই গুহার খ্যাতির কারণ মূলত দুটি প্রথমত, গুহাটা সুবৃহৎ, গ্রীষ্ম ও শীতে ভেতরে একটি পুঁচকে মাঠের মতোই হয়ে যায়। বর্ষায়ও গুহার বালুময় মেঝের অনেকটাই জলের ওপর থাকে। আর দ্বিতীয় কারণ, ছাদের গর্তটা। ওই ফাঁকা অংশ দিয়ে গুহার ভেতর বেশ রোদ চলে আসে। সেই রোদের জন্য গুহার ভেতরটা বেশি সুন্দর দেখায়

৪. নাভাগিও সমুদ্র সৈকত, গ্রীস

নাভাগিও সমুদ্র সৈকত, গ্রীস
নাভাগিও সমুদ্র সৈকত, গ্রীস (সূত্র)
চিত্রে দেখতে পাচ্ছেন বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়া জাহাওটি
চিত্রে দেখতে পাচ্ছেন বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়া জাহাজটি

এটি গ্রীসের জোকিন্থাসের উপকূলীয় লুনিয়ায় দ্বীপের নিকটে অবস্থিত। গ্রিক ভাষায় এই সৈকতকে বলা হয় “সর্বনাশের সৈকত”। এখানে আপনি শুধুমাত্র সাঁতার কেটেই পৌছাতে পারবেন।   ‘সর্বনাশ’ নামক এই সৈকতটি দু্টি উপসাগর একে অপরকে স্থল পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত যেখানে চোরাকারবারীরা জাহাজ নিয়ে আসে। প্রচলিত রয়েছে ১৯৮০ সালের দিকে খারাপ আবহাওয়ার জন্য ডাকাতদের একটি জাহাজ এই সৈকতের কাছে এসে বিধ্বস্ত হয়ে যায় এবং জাহাজের অংশ বিশেষ এই দ্বীপ তথা সৈকতকে আরো রূপ প্রদান করেছে। এই সৈকতের মূল আকর্ষন হল পেছনের পাহার এবং সামনের নীল জলের সমুদ্র। ছবিতে দেখতেই পাচ্ছেন আপনি!

৫. গোলাপী সমুদ্র সৈকত, বাহামা

বাহামার এলিউথেরা দ্বীপেও এ ধরনের গোলাপী সৈকত আছে। সমুদ্র সৈকত মানে আপনি হলুদ কিংবা সাদা বালির দ্বারা সৃষ্ট একটি উপকূলীয় অঞ্চল কেই বোঝেন। কিন্তু যদি আপনাকে বলা হয় যে গোলাপি বালি দিয়ে গঠিত সৈকতভূমির অস্তিত্ব রয়েছে, তখন আপনি একটু অবাক হতেই পারেন। হলুদ কিংবা সাদা বালি নয় এই সমুদ্রের মূল সুন্দর্যই হচ্ছে এর মিষ্টি রং গোলাপি।দিনের সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের পরিমান বৃদ্ধি পায় এবং সমুদ্রের জল তলের হ্রাস পেলে এই গোলাপি বালিময় সৈকতটি উন্মুক্ত হয়ে এক প্রাকৃতিক বিস্ময়ের সৃষ্টি করে।

গোলাপী সমুদ্র সৈকত, বাহামা
গোলাপী সমুদ্র সৈকত, বাহামা

এই রঙের উৎস মূলত ফোরামিনিফেরা নামক এক প্রকার অতি ক্ষুদ্র এককোষী প্রাণী(সংক্ষেপে ফোরাম নামে পরিচিত এই প্রাণীগুলো দেখতে অনেকটা স্ট্রবেরির মতো হয়), যাদের কিছু কিছু প্রজাতির খোলসের রং লালচে গোলাপী হয়ে থাকে।এবং এর ফলেই এই সৈকতের রঙ গোলাপি আকার ধারন করে।

৬. গালাপাগোস সমুদ্র সৈকত, ইকুয়েডর

গালাপাগোস সমুদ্র সৈকত, ইকুয়েডর
গালাপাগোস সমুদ্র সৈকত, ইকুয়েডর

আমরা এতক্ষন সাদা, হলুদ এমনকি গোলাপি সমুদ্র সৈকতের সম্পর্কে পড়লাম। এবার দেখুন আমাদের এই পৃথীবিতে লাল সমুদ্র সৈকতও রয়েছে। এটি অবস্থিত ইকুয়েডরে। এর নাম গালাপাগোস সমুদ্র সৈকত। এই সৈকতটির রঙ একেবারে লাল। এরূপ লাল হওয়ার কারন হল এখানে অনেক আগ্নেয়গিরি রয়েছে। এই আগ্নেয়গিরি গুলি থেকে লাভা নির্গমনের ফলে এই লাভা এবং সমুদ্রের কোরালের সাথে জলের মিশ্রন প্রভৃতির ফলস্বরূপ এখানকার ভূমিরূপটি লাল রঙ ধারণ করেছে।

৭. শেল বীচ, শার্ক বে, অস্ট্রেলিয়া

শেল বীচ, শার্ক বে, অস্ট্রেলিয়া
শেল বীচ, শার্ক বে, অস্ট্রেলিয়া

সমুদ্র সৈকত মানেই আমরা বালির সৈকত বুঝি, এবার তাহলে আসা যাক শামুকের সৈকতে। হ্যাঁ, ঠিকি অনুমান করেছেন। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার ডেনহামের ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে শার্ক বে অঞ্চলে এই সমুদ্রতীরটি অবস্থিত। এখানে গেলে আপনি সমুদ্রের জল কিংবা বালির রঙ নয়, মুগ্ধ হবেন এখানকার বিচে শামুক, ঝিনুকের খোল পড়ে থাকতে দেখে। এটিকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ ঘোষণা করেছে। আসলে ওঞ্চলটি ভৌগলিক বৈশিষ্ট্য এবং স্থানীয় জলবায়ুগত কারণে সমুদের জলের লবণতা অনেক বেশি। আর এই অতিরিক্ত লবণাক্ত জল শামুক-ঝিনুকের অবারিত বংশবিস্তারে পক্ষে সহায়তা করেছে। অঞ্চলটি প্রায় ১২০ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত তুষার শুভ্র এই সমুদ্র সৈকতটি গড়ে উঠেছে ১০ মিটার গভীর কয়েক লক্ষ লক্ষ ক্ষুদ্রাকৃতি শামুক ও ঝিনুকের খোলসের দ্বারা। সেই খোলসগুলো সৈকতের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে।

৮. কোয়েকোহে সমুদ্র সৈকত, নিউজিল্যান্ড

কোয়েকোহে সমুদ্র সৈকত, নিউজিল্যান্ড
কোয়েকোহে সমুদ্র সৈকত, নিউজিল্যান্ড

এই সমুদ্র সৈকতের আকর্ষণ পাথর। এখানে দীর্ঘদিন থেকে পড়ে থাকা ‘মোরকি’ নামক পাথরখন্ডগুলোকে আপনার মন ভালো করে দেবে। কারণ, এ বিচের পাথরগুলো সবই এক সাইজের। পাথর খণ্ডগুলো মূলত ৫.৬ কোটি বছর আগে তৈরি হওয়া পাললিক শিলা। এদের ব্যাস মূলত ১.৫ থেকে ২.৫ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। দীর্ঘকাল যাবত নিকটবর্তী পর্বতের দেয়ালে বাঁধের আড়ালে থাকার পর সম্প্রতি ঢেউয়ের স্রোতে সেগুলো সৈকতে এসে হাজির হয়েছে। পাথরগুলিকে দেখলে মনে হবে বৃহদাকার কোনো প্রাণীর (ডাইনোশর) ডিমের মত ছড়িয়ে ছিটিয়ে অবস্থান করছে।

৯. মরুভূমির সৈকত, ব্রাজিল

নাম শুনেই আপনারা আন্দাজ করতে পারছেন নিশ্চই যে আসলে এটি সৈকত নাম হলেও এটি অন্যদিক থেকে এক প্রকার মরুভূমি, আবার এটিকে মরুভূমিও বলা যায় না ঠিক ঠাক ভাবে! কেন? ভাবছেন তাইনা? আসলে এখনে রয়েছে ম্যানগ্রোভ অরণ্য, সৈকত, তার সাথে সাদা বালুকাময় মরুভূমি। অনেকে তাই এমন মরুভূমিকে বিস্ময়কর মরুভূমি বলে থাকেন। এর পুরো নাম লেনকয়েস ম্যারানহেনসেস জাতীয় উদ্যান। সংক্ষেপে একে লেনকয়েস উদ্যান নামেও ডাকা হয়ে থাকে। আয়তন প্রায় এক হাজার ৫৫০ বর্গকিলোমিটার। এটি ব্রাজিলের ম্যারানহাও নামক স্থানে অবস্থিত।

মরুভূমির সৈকত, ব্রাজিল
মরুভূমির সৈকত, ব্রাজিল

বৃষ্টিপাতের মরশুমে বৃষ্টি হলে বালিয়াড়ির তলদেশে অপ্রবেশ্য শিলা থাকার ফলে জলের অনুপ্রবেশ ঘটেনা, যার ফলে এই জল অন্য কোথায় প্রবাহিত হতে না পেরে বালিয়াড়ির নিম্ন উপত্যকার মধ্যেই জমা হয়ে থাকে এবং ঘন নীলাভ হ্রদ বা লেগুনের সৃষ্টি করে। জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর এই তিন মাসে এলাকাটি সম্পূর্ণ জলে পরিপূর্ণ থাকে যার ফলে এই এলাকার বালিয়াড়িগুলিকে সমুদ্র সৈকতের ন্যায় দেখায়।

১০. প্রদীপ্ত সৈকত, মালদ্বীপ

প্রদীপ্ত সৈকত, মালদ্বীপ
প্রদীপ্ত সৈকত, মালদ্বীপ

এই সৈকত গুলিকে বলা হয় বায়োলুমিনেসেন্ট বীচ। বায়োলুমিনেসেন্ট প্ল্যাঙ্কটন থেকে এরূপ সৃষ্টি হয় বলে এই সৈকতের নামকরন এরকম হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন অংশে এই ধরণের সৈকতভূমি লক্ষ করা যায় যেমন- অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, পুয়ের্তোরীকো, জামাইকা ইত্যাদি। বায়োলুমিনেসেন্স উদ্ভিদ বা প্রাণীর আলোক নিঃসরণের ক্ষমতা থাকার ফলে বিশ্বের যে যে স্থানে এই বায়োলুমিনেসেন্স রয়েছে সেখানকার সৈকতগুলি এরূপ হয়ে থাকে। মালদ্বীপের ভাধু দ্বীপের গ্লোয়িং বীচ এরকমই একটি সমুদ্র সৈকতের উদাহরণ। এখানের সমুদ্রতীরে অবস্থিত কয়েক হাজার হাজার ফাইটোপ্ল্যাংকটন উদ্ভিদ রয়েছে, যেগুলো সামান্য ঢেউয়ের আঘাতেই আলোক নিঃসরণ করে, যার ফলে সমগ্র সৈকতটিকে নীলাভ দেখায়।

এখান থেকে শেয়ার করুন
  • 312
    Shares
error: স্টুডেন্টস কেয়ার কতৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত !!